Category Archives: টিপস এন্ড ট্রিকস

কিভাবে মেমোরি কার্ড থেকে ডিলিট হওয়া ছবি,ডকুমেন্টস এবং বিভিন্ন ফাইল ফিরিয়ে বা রিকভার করবেন

মেমোরি কার্ড থেকে ডিলিট হওয়া ডাটা ফিরিয়ে বা রিকভার করতে হয় কারণ মাঝে মাঝে নিজেদের একটু ভুলের কারণে বা অনাকাঙ্খিত ভাবে মেমোরি কার্ড থেকে ছবি,কল রেকর্ড,অডিও,ভিডিও এবং বিভিন্ন ফাইল ইত্যাদি সব ডাটা ডিলিট বা ফরম্যাটও হয়ে যায় । এভাবে হারিয়ে যায় অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-সহ প্রয়োজনীয় অনেক অনেক ছবি।এইসব ছবি,কল রেকর্ড,অডিও,ভিডিও এবং ফাইল কিভাবে ফিরিয়ে আনার বা রিকভার করার উপায় অনেকেই জানে না ।তবে আপনি নিচের ধাপ গুলো অনুসরণ করলেই খুব সজজেই ডিলিট হওয়া গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো ফিরিয়ে আনতে পারবেন আপনার আর কারো কাছে যেতে হবে না ।

কিভাবে মেমোরি কার্ড থেকে ডিলিট হওয়া ছবি,ডকুমেন্টস এবং বিভিন্ন ফাইল ইত্যাদি ফিরিয়ে বা রিকভার করবেন

 

আসুন জেনে নেই ডিলিট করা ডাটা কোথায় যায়?

আপনি যখন প্রথমবারের মতো ছবি,কল রেকর্ড,অডিও,ভিডিও এবং বিভিন্ন ফাইল ইত্যাদি ডিলিট করেন তখন এটি ট্রাস বিন নামক একটি অবস্থানে জমা হয় ।আপনার ডিলিট করা ডাটা গুলো বেশ কিছুদিন ট্রাস বিনে জমা থাকে তারপর কিছু দিন পর স্থায়ী ভাবে ডিলিট হয়ে যায়।আপনি কিভাবে সহজেই ট্রাস বিন থেকে ডাটা গুলো পুনরায় রিকভার করবেন এই সম্পর্কে পুরো পোস্টটিতে আলোচনা করা হয়েছে।

ডিলেট হয়ে যাওয়া ডাটাগুলো রিকভাররিকভার করার ধাপসমূহ :

ধাপ-১: প্রথমে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন ।এটি খুবই কার্যকরী ডাটা রিকোভারী সফ্টওয়্যার।

Link

ধাপ-২: ডাটা রিকোভারী সফটওয়্যারটি ডাউনলোড হয়ে গেলে তারপর সফটওয়্যারটি ইন্সটল করে নিন।এই সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে ডিলিট হওয়া ছবি,কল-রেকর্ড,অডিও,ভিডিও এবং ফাইল ইত্যাদি ফিরিয়ে বা রিকভার করবো আমরা।

ধাপ-৩: কম্পিউটার বা ল্যাপটপের সাথে মেমোরি কার্ড / পেনড্রাইভটি যুক্ত বা কানেক্ট করুন যেটি থেকে আপনার ডাটা ডিলেট হয়েছে ।

ধাপ-৪: I Care Data Recovery সফটওয়্যারটি ইন্সটল করা হয়ে গেলে সফটওয়্যারটি ওপেন করুন। তারপর ফাইলে থাকা কী(key) বা রেজিস্ট্রেশন নাম্বার দিয়ে সফটওয়্যার টি অ্যাক্টিভ করে নিন

ধাপ-৫: সফটওয়্যার টি একটিভ করা হয়ে গেলে Deep Scan Recovery / Format Recovery যেকোনো একটি অপশন ক্লিক করুন।

I care data Recovery

ধাপ-৬ : মেমোরি কার্ড / পেনড্রাইভটি সিলেক্ট করে Recover (রিকভার ) বাটনটি ক্লিক করুন ।

তারপর কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন

ধাপ-৭ : স্ক্যানিং বা রিকভারি শেষে অটোমেটিক ভাবে আরেকটি পেজে নিয়ে যাবে তারপরে Show Files অপশনটিতে ক্লিক করুন।

ধাপ-৮ : এখন Raw Files নামে ফোল্ডারটি খুজেঁ বের করুন এবং Raw Files সাথে থাকা Box টি টিক চিহ্ন দিয়ে নিচের দিকে থাকা Save Files ক্লিক করুন তারপর।

আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপের ড্রাইভটি সিলেক্ট করুন।

এখন কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন কম্পিউটার বা ল্যাপটপের ড্রাইভে ডিলেট হয়ে যাওয়া ডাটা চলে আসবে।

 

 

বিশেষ দ্রষ্টব্য : ছবি,কল রেকর্ড,অডিও,ভিডিও এবং বিভিন্ন ফাইল রিকভার করতে কোনো সমস্যা হলে বা কোন জায়গায় বুঝতে না পারলে নিচের লিংক দেওয়া ভিডিও টি দেখে নিন –

Click Here………

জেনে নিন : স্মার্টফোন কেনার আগে যে বিষয়গুলো অবশ্যই জানা জরুরি

ফ্রিল্যান্সিং কি? নতুনরা কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবে তার সম্পূর্ণ গাইডলাইন (A TO Z)

রাউটার বা Wifi Speed বাড়িয়ে নিন খুব সহজে – প্রযুক্তি কথা

রাউটার বা Wifi Speed বাড়িয়ে নিন খুব সহজে – প্রযুক্তি কথা

রাউটার বা Wifi Speed বাড়িয়ে নিন কারণ ওয়াইফাই স্পিড না থাকলে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে অনেক দূর্ভোগ পোহাতে হয় এটি সবার জন্যই খুব বিরক্তিকর মুহূর্ত | নিচে দেওয়ার টিপস গুলো ফলো করলে আশা করি আগে থেকে কিছুটা হলেও ওয়াইফাই এর স্পিড বেশি পাবেন তবে চলুন শুরু করা যাক :

 

রাউটারের স্থান পরিবর্তন করুন :

রাউটারের এর অবস্থান সব সময় বাড়ির মাঝামাঝি জায়গায়  বা এমন কোনো জায়গায় রাখা উচিত যাতে রাউটারের সিগনালে বাধা সৃষ্টি না হয়।বিল্ডিং এর দেয়াল কারণে রাউটারের সিগনালে বাধা সৃষ্টি করে যার ফলে ওয়াইফাই এ ভালো স্পিড পাওয়া যায় না । তাই বলা হয় স্থান বা জায়গা নির্বাচন ওয়াইফাই বা রাউটারের এর স্পিড বাড়ানোর জন্য সব থেকে কার্যকর উপায়।

মাটি থেকে ৫ ফুট উচ্চতায় :

কাছাকাছি অবস্থানে রাউটারটি বসালে সিগনাল সবচেয়ে ভালো মেলে। মাটি থেকে ৫ ফুট উচ্চতায় রাখুন।রাউটারের সিগনালে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে এমন কোনও ডিভাইসের সঙ্গে রাখবেন না। কারণ ইলেকট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ রাউটারের ইন্টারনেটের গতি অনেকখানিই কমিয়ে দেয়। তাই, টিভির সামনে এবং কর্ডলেস ফোনের বেস, অন্য কোনও রাউটার, মাইক্রোওয়েভ ইত্যাদি সামনে রাখা যাবে না। কারণ এসব স্থানে রাখলে ইন্টারনেটের সঠিক স্পিড পেতে সমস্যা হতে পারে ।

বেশি ডিভাইস কানেক্ট করা থেকে বিরত থাকুন :

একসাথে অনেকগুলো ডিভাইস কানেক্ট করলে রাউটারের স্পিড কমে যায়|তার জন্য নিরাপদ একটি পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা খুবই প্রয়োজনীয়|একসাথে অনেকগুলো ডিভাইস কানেক্ট করলে তখন দেখা যায় অনেকেই ইন্টারনেট ব্রাউজিং করার পাশাপাশি ডাউনলোড করতে চাই সে ক্ষেত্রে বাকিদের ইন্টারনেটের স্পীড পেতে সমস্যা হয় তখন আপনি চাইলে ঐ ডিভাইসের ব্যান্ডউইথ কমিয়ে দিতে পারবেন |

রাউটার প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় বন্ধ রাখতে হবে :

প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ মিনিট বন্ধ রাখা দরকার| বিশেষ করে বজ্রপাতের সময় রাউটার অন করে রাখা যাবে না | বিদ্যুৎ-সংযোগে বজ্রপাতের ফলে রাউটারে অতিরিক্ত ভোল্টেজ চলে আসে যার ফলে নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে |

রাউটারে সাথে রিপিটার সংযোগ দেওয়া :

রিপিটার রাউটারের সিগনাল কি আরও বিস্তৃত করে | বর্তমানে রিপিটারের দামও তুলনামূলক ভাবে কম আর এটি রাউটারের সাথে সংযোগ দেওয়া খুব সহজ |

USB পোর্ট সহ রাউটার ব্যবহার করুন:

এএখন বাজারে USB পোর্ট সহ রাউটার পাওয়া যায় আপনি চাইলে গুগল এ সার্চ করে দেখে নিতে পারেন। USB পোর্ট সহ রাউটার ব্যবহার করলে এক্সটার্নাল হার্ড ড্রাইভ রাউটার কানেক্ট করতে পারেন এবং প্রিন্টারও কানেক্ট করতে পারেন। এতে রাউটার কানেক্টথাকা কোনও ডিভাইস থেকে আপনি চাইলে সহজেই প্রিন্ট করতে পারবেন । আর, USB পোর্ট সহ রাউটার শক্তিশালী এবং বেশ সিগনালও ভালো পাওয়া যায় | এই টিপস গুলো ফলো করে আগের থেকে Wifi Speed বাড়িয়ে নিন |

 

দেখে নিন স্মার্টফোন কেনার আগে যে বিষয়গুলো অবশ্যই জানা জরুরি