Category Archives: প্রযুক্তির খবর

কিভাবে মেমোরি কার্ড থেকে ডিলিট হওয়া ছবি,ডকুমেন্টস এবং বিভিন্ন ফাইল ফিরিয়ে বা রিকভার করবেন

মেমোরি কার্ড থেকে ডিলিট হওয়া ডাটা ফিরিয়ে বা রিকভার করতে হয় কারণ মাঝে মাঝে নিজেদের একটু ভুলের কারণে বা অনাকাঙ্খিত ভাবে মেমোরি কার্ড থেকে ছবি,কল রেকর্ড,অডিও,ভিডিও এবং বিভিন্ন ফাইল ইত্যাদি সব ডাটা ডিলিট বা ফরম্যাটও হয়ে যায় । এভাবে হারিয়ে যায় অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-সহ প্রয়োজনীয় অনেক অনেক ছবি।এইসব ছবি,কল রেকর্ড,অডিও,ভিডিও এবং ফাইল কিভাবে ফিরিয়ে আনার বা রিকভার করার উপায় অনেকেই জানে না ।তবে আপনি নিচের ধাপ গুলো অনুসরণ করলেই খুব সজজেই ডিলিট হওয়া গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো ফিরিয়ে আনতে পারবেন আপনার আর কারো কাছে যেতে হবে না ।

কিভাবে মেমোরি কার্ড থেকে ডিলিট হওয়া ছবি,ডকুমেন্টস এবং বিভিন্ন ফাইল ইত্যাদি ফিরিয়ে বা রিকভার করবেন

 

আসুন জেনে নেই ডিলিট করা ডাটা কোথায় যায়?

আপনি যখন প্রথমবারের মতো ছবি,কল রেকর্ড,অডিও,ভিডিও এবং বিভিন্ন ফাইল ইত্যাদি ডিলিট করেন তখন এটি ট্রাস বিন নামক একটি অবস্থানে জমা হয় ।আপনার ডিলিট করা ডাটা গুলো বেশ কিছুদিন ট্রাস বিনে জমা থাকে তারপর কিছু দিন পর স্থায়ী ভাবে ডিলিট হয়ে যায়।আপনি কিভাবে সহজেই ট্রাস বিন থেকে ডাটা গুলো পুনরায় রিকভার করবেন এই সম্পর্কে পুরো পোস্টটিতে আলোচনা করা হয়েছে।

ডিলেট হয়ে যাওয়া ডাটাগুলো রিকভাররিকভার করার ধাপসমূহ :

ধাপ-১: প্রথমে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন ।এটি খুবই কার্যকরী ডাটা রিকোভারী সফ্টওয়্যার।

Link

ধাপ-২: ডাটা রিকোভারী সফটওয়্যারটি ডাউনলোড হয়ে গেলে তারপর সফটওয়্যারটি ইন্সটল করে নিন।এই সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে ডিলিট হওয়া ছবি,কল-রেকর্ড,অডিও,ভিডিও এবং ফাইল ইত্যাদি ফিরিয়ে বা রিকভার করবো আমরা।

ধাপ-৩: কম্পিউটার বা ল্যাপটপের সাথে মেমোরি কার্ড / পেনড্রাইভটি যুক্ত বা কানেক্ট করুন যেটি থেকে আপনার ডাটা ডিলেট হয়েছে ।

ধাপ-৪: I Care Data Recovery সফটওয়্যারটি ইন্সটল করা হয়ে গেলে সফটওয়্যারটি ওপেন করুন। তারপর ফাইলে থাকা কী(key) বা রেজিস্ট্রেশন নাম্বার দিয়ে সফটওয়্যার টি অ্যাক্টিভ করে নিন

ধাপ-৫: সফটওয়্যার টি একটিভ করা হয়ে গেলে Deep Scan Recovery / Format Recovery যেকোনো একটি অপশন ক্লিক করুন।

I care data Recovery

ধাপ-৬ : মেমোরি কার্ড / পেনড্রাইভটি সিলেক্ট করে Recover (রিকভার ) বাটনটি ক্লিক করুন ।

তারপর কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন

ধাপ-৭ : স্ক্যানিং বা রিকভারি শেষে অটোমেটিক ভাবে আরেকটি পেজে নিয়ে যাবে তারপরে Show Files অপশনটিতে ক্লিক করুন।

ধাপ-৮ : এখন Raw Files নামে ফোল্ডারটি খুজেঁ বের করুন এবং Raw Files সাথে থাকা Box টি টিক চিহ্ন দিয়ে নিচের দিকে থাকা Save Files ক্লিক করুন তারপর।

আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপের ড্রাইভটি সিলেক্ট করুন।

এখন কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন কম্পিউটার বা ল্যাপটপের ড্রাইভে ডিলেট হয়ে যাওয়া ডাটা চলে আসবে।

 

 

বিশেষ দ্রষ্টব্য : ছবি,কল রেকর্ড,অডিও,ভিডিও এবং বিভিন্ন ফাইল রিকভার করতে কোনো সমস্যা হলে বা কোন জায়গায় বুঝতে না পারলে নিচের লিংক দেওয়া ভিডিও টি দেখে নিন –

Click Here………

জেনে নিন : স্মার্টফোন কেনার আগে যে বিষয়গুলো অবশ্যই জানা জরুরি

ফ্রিল্যান্সিং কি? নতুনরা কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবে তার সম্পূর্ণ গাইডলাইন (A TO Z)

রাউটার বা Wifi Speed বাড়িয়ে নিন খুব সহজে – প্রযুক্তি কথা

ফ্রিল্যান্সিং কি? নতুনরা কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবে তার সম্পূর্ণ গাইডলাইন (A TO Z )

কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবো এটা নিয়ে সবাই জানতে চাই ।আর ,যেভাবে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করবে এই পোস্টটি পড়লে সব কিছু জানতে পারবেন ।

কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবো এটা নিয়ে সবাই জানতে চাই ।আর ,যেভাবে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করবে এই পোস্টটি পড়লে সব কিছু জানতে পারবেন ।

ফ্রিল্যান্সিং কি?

ফ্রীলান্সিং শব্দের অর্থ হচ্ছে মুক্ত পেশা অর্থাৎ কোন নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির আদেশ অনুযায়ী কার কাজ না করাকেই ফ্রীলান্সিং|মূলত যারা এ ধরনের কাজ করে থাকে তাদেরকে ফ্রিল্যান্সার বলা হয়|যারা অন্যের অধীনে থেকে কাজ করতে চায় না তাদের কাছে ফ্রিল্যান্সিং একটি জনপ্রিয় পেশা ।তবে বর্তমানে ফ্রীলান্সিং বলতে কম্পিউটার সংক্রান্ত বিভিন্ন কাজকেই মানুষ ফ্রীলান্সিং ভাবে|

ফ্রীলান্সিং হচ্ছে মূলত দুই প্রকার :

অনলাইন ফ্রীলান্সিং : ফ্রীলান্সিং সংক্রান্ত সকল কাজ অনলাইনে করাকেই অনলাইন ফ্রীলান্সিং বলে ।আমাদের দেশে অনলাইন ফ্রিল্যান্সারে সংখ্যা বেশি ।তাই অনলাইন ফ্রীল্যান্সারদের কেই মূলত আমরা ফ্রীল্যান্সার ভাবি।

অফলাইন ফ্রীলান্সিং : স্বাধীনভাবে যে সকল কাজ অনলাইনে না করে অফলাইন করা হয় তাকেই অফলাইন ফ্রীলান্সিং বলে ।মজার বিষয় হচ্ছে, একজন ফটোগ্রাফার, একজন দিনমজুর বা একজন কাঠ মিস্ত্রিও কিন্তু স্বাধীনভাবে কাজ করে তাই শাব্দিক অর্থে তাঁরাও একজন ফ্রীল্যান্সার।

আসুন জেনে নেই বিভিন্ন ফ্রীল্যান্সিং সাইট গুলোতে কি কি কাজ করা যায় :

আপনি যে কাজ টা ভালো পারেন আপনি চাইলে মার্কেটপ্লেসে সে কাজ খুঁজে বের করে ফ্রীল্যান্সিং ক্যারিযার শুরু করতে পারেন ।তবে মার্কেটপ্লেসে বেশ কিছু কাজ আছে অনেক জনপ্রিয় নিচে তার একটা তালিকা দেওয়া হলো :

  • সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং
  • সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং
  • ভাইরাল মার্কেটিং
  • ইমেইল মার্কেটিং
  • অ্যাফিলিয়েট
  • সি পি এ
  • ভিডিও মার্কেটিং
  • লিড জেনারেশন
  • ভার্চুলাল এসিস্ট্যান্ট
  • টাইপিং
  • লেখা লেখি
  • ডেটা এন্ট্রি
  • প্রোগ্রামিং
  • ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
  • ডিজাইনিং
  • ইমেজ এডিটিং
  • ভিডিও ইডিটিং
  • প্রেজেন্টেশন তৈরি ইত্যাদি

কিভাবে এবং কোন কাজ টি দিয়ে অনলাইন ইনকাম শুরু করবেন :

প্রথমে আপনাকে সিদ্ধান্দ নিতে হবে আপনি কোন বিষয়ের উপর ফ্রীলান্সিং ক্যারিযার শুরু করবেন ।এক্ষত্রে আপনি যে কাজটি সব থেকে ভালো পারেন ঐ কাজ দিয়েই মার্কেটপ্লেসে ফ্রীলান্সিং শুরু করতে পারেন ।আর ,আপনার যদি কোনো বিষয়ে দক্ষতা না থাকে তবে সময় নিয়ে আগে নিজেকে তৈরি করতে হবে ।আপনার যদি কম্পিউটার সম্পর্কিত জ্ঞান থাকে তাহলে আপনার পথ টা বেশ সহজ হবে । কিন্তু অসুবিধা নেই আপনার যদি কম্পিউটার সম্পর্কিত জ্ঞান না থাকে।তবে আপনি ইন্টারনেট ব্যবহার করে ফ্রী তে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে পারেন এবং সরকারি ভাবে অনেক স্বল্পমেয়াদী/দীর্ঘমেয়াদী কোর্স করতে পারেন ।

ফ্রিল্যান্সিং করে কত টাকা উপার্জন করা যায় :

এই পেশাতেই উপার্জনের কোন লিমিট নেই মাসিক উপার্জন সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনার উপর । আপনি ভালো ভাবে কাজ করলে মাসিক ১০,০০০+ ডলারও উপার্জন করতে পারবেন ।

কিভাবে এবং কোন কোন মার্কেটপ্লেসে ফ্রীল্যান্সিং করবেন :

আপনি যে মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে চান আগে সে মার্কেটপ্লেসে সম্পর্কে ভালভাবে ধারনা নিয়ে তারপর কাজ শুরু করা দরকার ।প্রথমে আপনাকে মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট খুলতে হবে ।তারপরে নিজের প্রোফাইলে আপনার ব্যাক্তিগত তথ্য দিয়ে সাজাতে হবে এবং আপনি কি কি কাজ পারেন বা কি কি সার্ভিস দিবেন তা নিজের প্রোফাইলে যুক্ত করবেন।তবে কিছু মার্কেটপ্লেসে অনলাইন পরীক্ষা দিয়ে নিজের দক্ষতা প্রমান করতে হয় ।

নিচে বেশ কিছু জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেসের লিঙ্ক দেওয়া হল ।তবে এসব মার্কেটপ্লেস ছাড়া আরো অনেক সাইট রয়েছে :

www.microworkers.com
www.fiverr.com
www.upwork.com
www.freelancer.com
www.picoworkers.com
www.PeoplePerHour.com
www.guru.com
www.99designs.com

যেভাবে আপনি টাকা উত্তোলন করবেন :

কাজ কমপ্লিট করে ডেলিভারি দেওয়ার পর আপনার একাউন্টে টাকা জমা হবে। তারপর ব্যাংকে টাকা ট্রন্সফার করতে পারবেন ।তবে আপনি চাইলে টাকা উত্তোলনের জন্য মাস্টারকার্ডও ব্যবহার করে আমাদের দেশের এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে পারবেন।এখন হয়তো আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে আমার তো কার্ড নেই আমাকে কে কার্ড দিবে।বর্তমানে বাংলাদেশের অনেক ব্যাংক রয়েছে এটিএম ও মাস্টারকার্ড প্রদান করে আপনি চাইলে ব্যাংক থেকে নিদিষ্ট ফি দিয়ে এটিএম ও মাস্টারকার্ড নিতে পারেন ।বর্তমানে টাকা উত্তোলন জন্য পেওনিয়ার অনেক জনপ্রিয় ।নাম, ঠিকানা, ইমেইল, ইত্যাদি দিয়ে পেওনিয়ারের সাইটে গিয়ে সাইন আপ করুন ব্যাংকর মাধমেটাকা ট্রন্সফার করতে পারেন কোনো ফী ছাড়াই ।

কাজ না পেলে কি করবেন :

সাধারণত নতুন দের কাজ পেতে একটু সময় লাগে ।হতাশ হবেন না ,আপনি যদি কাজ না পান।কাজের আশায় বসে না থেকে প্রতিদিন নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন নিজের দক্ষতা বাড়ান ।নিয়মিত সময় দিলে আশা করি আপনিও খুব তাড়াতাড়ি কাজ পাবেন।

দেখে নিন স্মার্টফোন কেনার আগে যে বিষয়গুলো অবশ্যই জানা জরুরি |

রাউটার বা Wifi Speed বাড়িয়ে নিন খুব সহজে – প্রযুক্তি কথা

রাউটার বা Wifi Speed বাড়িয়ে নিন কারণ ওয়াইফাই স্পিড না থাকলে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে অনেক দূর্ভোগ পোহাতে হয় এটি সবার জন্যই খুব বিরক্তিকর মুহূর্ত | নিচে দেওয়ার টিপস গুলো ফলো করলে আশা করি আগে থেকে কিছুটা হলেও ওয়াইফাই এর স্পিড বেশি পাবেন তবে চলুন শুরু করা যাক :

 

রাউটারের স্থান পরিবর্তন করুন :

রাউটারের এর অবস্থান সব সময় বাড়ির মাঝামাঝি জায়গায়  বা এমন কোনো জায়গায় রাখা উচিত যাতে রাউটারের সিগনালে বাধা সৃষ্টি না হয়।বিল্ডিং এর দেয়াল কারণে রাউটারের সিগনালে বাধা সৃষ্টি করে যার ফলে ওয়াইফাই এ ভালো স্পিড পাওয়া যায় না । তাই বলা হয় স্থান বা জায়গা নির্বাচন ওয়াইফাই বা রাউটারের এর স্পিড বাড়ানোর জন্য সব থেকে কার্যকর উপায়।

মাটি থেকে ৫ ফুট উচ্চতায় :

কাছাকাছি অবস্থানে রাউটারটি বসালে সিগনাল সবচেয়ে ভালো মেলে। মাটি থেকে ৫ ফুট উচ্চতায় রাখুন।রাউটারের সিগনালে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে এমন কোনও ডিভাইসের সঙ্গে রাখবেন না। কারণ ইলেকট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ রাউটারের ইন্টারনেটের গতি অনেকখানিই কমিয়ে দেয়। তাই, টিভির সামনে এবং কর্ডলেস ফোনের বেস, অন্য কোনও রাউটার, মাইক্রোওয়েভ ইত্যাদি সামনে রাখা যাবে না। কারণ এসব স্থানে রাখলে ইন্টারনেটের সঠিক স্পিড পেতে সমস্যা হতে পারে ।

বেশি ডিভাইস কানেক্ট করা থেকে বিরত থাকুন :

একসাথে অনেকগুলো ডিভাইস কানেক্ট করলে রাউটারের স্পিড কমে যায়|তার জন্য নিরাপদ একটি পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা খুবই প্রয়োজনীয়|একসাথে অনেকগুলো ডিভাইস কানেক্ট করলে তখন দেখা যায় অনেকেই ইন্টারনেট ব্রাউজিং করার পাশাপাশি ডাউনলোড করতে চাই সে ক্ষেত্রে বাকিদের ইন্টারনেটের স্পীড পেতে সমস্যা হয় তখন আপনি চাইলে ঐ ডিভাইসের ব্যান্ডউইথ কমিয়ে দিতে পারবেন |

রাউটার প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় বন্ধ রাখতে হবে :

প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ মিনিট বন্ধ রাখা দরকার| বিশেষ করে বজ্রপাতের সময় রাউটার অন করে রাখা যাবে না | বিদ্যুৎ-সংযোগে বজ্রপাতের ফলে রাউটারে অতিরিক্ত ভোল্টেজ চলে আসে যার ফলে নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে |

রাউটারে সাথে রিপিটার সংযোগ দেওয়া :

রিপিটার রাউটারের সিগনাল কি আরও বিস্তৃত করে | বর্তমানে রিপিটারের দামও তুলনামূলক ভাবে কম আর এটি রাউটারের সাথে সংযোগ দেওয়া খুব সহজ |

USB পোর্ট সহ রাউটার ব্যবহার করুন:

এএখন বাজারে USB পোর্ট সহ রাউটার পাওয়া যায় আপনি চাইলে গুগল এ সার্চ করে দেখে নিতে পারেন। USB পোর্ট সহ রাউটার ব্যবহার করলে এক্সটার্নাল হার্ড ড্রাইভ রাউটার কানেক্ট করতে পারেন এবং প্রিন্টারও কানেক্ট করতে পারেন। এতে রাউটার কানেক্টথাকা কোনও ডিভাইস থেকে আপনি চাইলে সহজেই প্রিন্ট করতে পারবেন । আর, USB পোর্ট সহ রাউটার শক্তিশালী এবং বেশ সিগনালও ভালো পাওয়া যায় | এই টিপস গুলো ফলো করে আগের থেকে Wifi Speed বাড়িয়ে নিন |

 

দেখে নিন স্মার্টফোন কেনার আগে যে বিষয়গুলো অবশ্যই জানা জরুরি

স্মার্টফোন কেনার আগে যে বিষয়গুলো অবশ্যই জানা জরুরি

স্মার্টফোন কেনার আগে এই বিষয়গুলো জেনে নিন| বর্তমানে স্মার্টফোন বা মোবাইল কোনো বিলাসিতার পণ্য নয়|স্মার্টফোন বা মোবাইল বর্তমান সময়ে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে|এখন আমরা মোবাইল বা স্মার্টফোনের মাধ্যমেই অনেক কাজ করে থাকি| বর্তমান বাজারে ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানির নানা রকম মডেলের মোবাইল থাকা শর্তেও একজন ইউজার কে তাঁর জন্য কোন মোবাইলটি সঠিক হবে তা নির্ণয় একটু কষ্টসাধ্য| একজন ইউজার কে নতুন স্মার্টফোন কেনার সময় যে বিষয়গুলো নিয়ে চিন্তা করতে হয় স্থায়িত্বকাল, প্রোডাক্ট কোয়ালিটি, ফোনের ক্যামেরা, ফিচার, প্রসেসর, বাজেট ইত্যাদি নিয়ে| এই আর্টিকেলে আলোচনা করবো যে বিষয় গুলো নিয়ে তা জানা থাকলে একটি ভালো স্মার্টফোন বা সঠিক মোবাইল আপনি খুব সহজে নির্বাচন করতে পারবেন :

মোবাইল বা স্মার্ট ফোন কেনার আগে যে বিষয়গুলো অবশ্যই জানা জরুরি

মোবাইলের ডিজাইন ও ওজন :
যে কোনো জিনিসের সৌন্দর্য প্রকাশ পাই তার ডিজাইনরে মাধ্যমে।ঠিক তেমনি মোবাইলের ক্ষেত্রেও ডিজাইন একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।সাধারণত মোবাইল যত বড় হয় তার ওজনও বেশি হয় আর অনেকই আছে পকেটে ভারি কিছু বহন করতে চাই না ।তাই বিভিন্ন কোম্পানির নানা রকম মডেলের মোবাইল গুলো থেকে নিজের ব্যক্তিগত রুচি এবং চাহিদা অনুযায়ী ডিজাইন ও ওজন পছন্দ করাই শ্রেয়।

মোবাইলের ডিসপ্লে বা পর্দার আকার :

যে কোন মোবাইল জন্যই একটি ভালো মানের ডিসপ্লে খুবই গুরুত্বপূর্ণ |বর্তমান বাজারে বেশির ভাগ স্মার্টফোনের ৫-৭ ইঞ্চি ডিসপ্লে দেখতে পাওয়া যায়।আপনি যদি বেশি ভিডিও দেখাতে বা গেম খেলতে পছন্দ করেন তাহলে বড় আকারের ডিসপ্লে নেওয়া উচিত ।তবে ৪.৫ থেকে ৫.৫ ইঞ্চির ছোট পর্দার মোবাইল গুলো সহজে বহন করার জন্য সুবিধাজনক|

ডিসপ্লের অ্যাসপেক্ট রেশিও :

অ্যাসপেক্ট রেশিও হচ্ছে মূলত ফোনের পর্দার আকার বা স্ক্রিন সাইজের লম্বা আর চওড়ার বিষয়টি।বর্তমানে বেশির ভাগ স্মার্টফোনের অ্যাসপেক্ট রেশিও হচ্ছে 20.9 আগে যেখানে ফোনে 16:9 অ্যাস্পেক্ট রেশিও ছিল|

প্যানেল টাইপ :

বর্তমানে ফোনের প্যানেল টাইপের মধ্যেই আছে এলসিডি, টিএফটি, আইপিএস, এমোলেড, সুপার এমোলেড সহ বেশ কয়েকটি ডিসপ্লে প্যানেল।প্যানেল টাইপের উপরই ডিসপ্লের কালার সহ অন্যান্য বিষয় নির্ভর করে।এলসিডি থেকে ওলেড ডিসপ্লে প্যানেল বেশি ভালো হয় তবে স্মার্টফোনটির দামের উপরও কিছুটা প্রভাব ফেলে|ডিসপ্লে নির্বাচনের আরেকটি বিষয়রে উপর লক্ষ্য রাখা উচিত তা হলো Display PPI.

টাচ স্ক্রিন :

টাচস্ক্রীন হলো ডিসপ্লের ক্ষেত্রে আরেকটি অন্যতম বিষয়।বর্তমান তিন ধরনের টাচস্ক্রীন সমৃদ্ধ ফোন পাওয়া যায় তা হলো শুধু টাচস্ক্রীন, ক্যাপাসিটিভ টাচস্ক্রীন এবং মাল্টি-টাচস্ক্রীন।তবে সবচেয়ে ভালো হবে মাল্টি -টাচস্ক্রীন।

প্রসেসর :

স্মার্টফোনের প্রাণ হচ্ছে প্রসেসর বা চিপসেট।আপনার স্মার্টফোনে যত বেশি শক্তিশালী প্রসেসার থাকবে আপনার ফোন তত বেশি স্মুথলি রান করবে। আর, ক্লক স্পিড, কোর সংখ্যা সহ আরো বেশ কয়েকটি বিষয়ের উপর একটি প্রসেসরের পারফরম্যান্স নির্ভর করে।তাই মোবাইলের ভালো পারফরম্যান্স জন্য উন্নত প্রসেসর নির্বাচন করা উচিত।

প্রসেসর এর প্রকারভেদ :

বর্তমানে স্মার্টফোনের জন্য প্রসেসর তৈরি করছে কোয়ালকম, মিডিয়াটেক ,স্যামসাং, হুয়াওয়ে, অ্যাপল, ইন্টেলসহ বেশ কয়েকটি কোম্পানি।যদিও ব্যবহারকারী বিচারে মিডিয়াটেক এগিয়ে রয়েছে। তবে কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন বর্তমানে পারফরমেন্স বিচারে কিন্ত এগিয়ে।
কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৬৬০, ৭১২,৭৩০ , ৮৩৫, ৮৪৫, ৮৫৫, ৮৬৫ ;
স্যামসাং এর এক্সিনস ৮৮৯০,৮৮৯৫, ৯৮১০, ৯৮২০,৯৮২৫ ;
মিডিয়াটেক হেলিও পি৯৫, পি৯০, পি৭০, এক্স৩০ ইত্যাদি বর্তমানে খুব ভালো মানের প্রসেসর।তবে শুধু নিজেদের স্মার্টফোনে ইউজ করতে দেখা যায় স্যামসাংয়ের এক্সিনস, হুয়াওয়ের কিরিন, অ্যাপলের প্রসেসর।
আর আপনি যদি আপনার স্মার্টফোনে গেমিং বা মাল্টিটাস্কিং করতে আগ্রহী হলে ভালো মান এর একটি প্রসেসর আপনার দরকার হবে।

জিপিইউ বা গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট :

চিপসেট বা প্রসেসরের পাশাপাশি জিপিইউ বা গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট বিষয়ের উপর লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন।গেমিং পারফর্মেন্স, ফ্রেম রেট, গ্রাফিক্স সহ আরো অনেকগুলো বিষয় হ্যান্ডেল করে জিপিইউ ।বর্তমানে ভালো মানের জিপিইউ অ্যাড্রিনো ৬৫০, ৬৪০, ৬৩০; ম্যালি জি-৭৭, জি-৭৬ জি-৭২; পাওয়ার ভিআরের লেটেস্ট সিরিজ গুলো।স্মার্টফোন কেনার সময় যদি ভালো জিপিইউ সম্বলিত স্মার্টফোনটি কিনবেন কারণ পরবর্তীতে আপনি কিন্তু চাইলেও এতে কম্পিউটারের মতো ডেডিকেটেড জিপিইউ লাগাতে পারবেন না।

ক্যামেরা :

এখনকার স্মার্টফোনের ক্যামেরাগুলো আগের থাকে অনেক উন্নত হয়েছে। সময়ের সাথে সাথে ক্যামেরার সংখ্যা ও বেড়েছে আগে মোবাইলের সামনে এবং পিছনে একটা ক্যামেরা দেখা যেত।তবে স্মার্টফোনের ক্যামেরা নিয়ে মানুষরে একটি ভুল ধারণা রয়েছে সবাই মনে করে স্মার্টফোনের ক্যামেরার রেজ্যুলেশন বা মেগাপিক্সেল যত বেশি হবে স্মার্টফোনে তোলা ছবি ততো ভালো হবে।ছবি কতটা ভালো বা খারাপ হবে তা অনেকাংশে নির্ভর করে অ্যাপারচার, সেন্সর, লেন্স ইত্যাদির উপর ।এসব কারণে কম মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা দিয়েও সুন্দর ছবি পাওয়া সম্ভব। আর অ্যাপারচার যত কম হবে ক্যামেরা তত বেশি আলো ক্যাপচার করতে পারবে।বর্তমানে স্মার্টফোন দিয়ে ৪কে রেজুলেশনেও বা ফুল এইচডি ভিডিও করা যায়।স্মার্টফোন কেনার সময় যাতে কমপক্ষে এইচডি রেজুলেশনে ভিডিও ক্যাপচার করা যায় এদিকেও লক্ষ্য রাখবেন।

র‍্যাম বা RAM :

র‍্যাম মোবাইলের অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে।র‍্যাম প্রসেসরকে স্মুথলি কাজ করতে সাহায্য করে।যদিও র‍্যাম মোবাইলের অস্থায়ী মেমোরি তবে স্মার্টফোন আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এটি।র‍্যাম বেশি হলে একসাথে অনেকগুলো অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডেও রান করাতে পারবেন কোনো রকম সমস্যা ছাড়া ।বর্তমানে ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনগুলোতে ৬ থেকে ৮ জিবি, মিডরেঞ্জর স্মার্টফোনগুলোতে ২ থেকে ৪ জিবি এবং লো-ইন্ড স্মার্টফোনগুলোতে ১ জিবি পর্যন্ত র‍্যাম পাওয়া যায়। র‍্যাম বেশি থাকার কারণে ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনগুলোর দাম তুলনামূলক বেশি।

মোবাইলের ব্যাটারি :

আপনার ব্যবহার করার নির্ভর করে আপনার মোবাইলের ব্যাটারি ক্যাপাসিটি কেমন দরকার ।কোননা আপনি যদি হেভি ইউজার হয়ে থাকেন তাহলে ৪ হাজার মিলিএম্পিয়ার বা তার চেয়ে বেশি মিলিএম্পিয়ারের স্মার্টফোন নেওয়া উচিত ।এখন ৩ বা ৬ হাজার মিলিএম্পিয়ারের ব্যাটারি দেখতে পাওয়া যায়।কমপক্ষে ৩ হাজার মিলিএম্পিয়ারের ব্যাটারিসহ স্মার্টফোন নিতে রিকমেন্ড করবো।

ফাস্ট চার্জিং :

মোবাইল কিনার আগে দেখে নিন আপনার পছন্দ করা মোবাইলটিতে ফাস্ট চার্জিং প্রযুক্তির সাপোর্ট করবে কিনা।ফাস্ট চার্জিং মাধ্যমে আপনি খুব তাড়াতাড়ি মোবাইলের শক্তিশালী আর বড় ব্যাটারি চার্জ করতে পারবেন এতে আপনার অনেক সময় বেঁচে যাবে।তবে এখন অনেক মোবাইল গুলো ই ওয়ারলেস চার্জিং প্রযুক্তি সমর্থিত করে ।

রম বা স্টোরেজ :

স্মার্টফোনের স্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে রম বা স্টোরেজ। অপারেটিং সিস্টেম ও এর অ্যাপস থাকে মূলত রমে এবং বাকি অংশে আপনার প্রয়োজনীয় ফাইল,ছবি গান ইত্যাদি সেভ করে রাখতে পারেন।তবে আমি আপনাকে রিকমেন্ড করবো কমপক্ষে ৩২ জিবি স্টোরেজের ফোন নিতে।আর এখন মোটামুটি সব মোবাইলে এ মাইক্রোএসডি বা মেমরি কার্ড স্লট ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।

অপারেটিং সিস্টেম :

কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমের মতোই মূলত স্মার্টফোনের অপারেটিং সিস্টেম । এখন বাজারের মোবাইল গুলোতে নানান ধরণের অপারেটিং সিস্টেম দেখা যায়। যেমন, Android OS, Apple’s IOS, Windows OS, Realme UI, MIUI, Colors ইত্যাদি । তবে সব থেকে বেশি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ওএস। এ ক্ষেত্রে লেটেস্ট ভার্সনের অপারেটিং সিস্টেম স্মার্টফোন নেয়াটাই ভালো।

রিভিউ ও রেটিং সাইট অনুসন্ধান :

ইন্টারনেট ব্যবহার আপনি সহজেই বিভিন্ন পপুলার রিভিউ ও রেটিং সাইটে বা ইউটিউব ভিজিট করে মোবাইলটির ভাল-মন্দ এবং খুঁটিনাটি জানতে পারবেন।স্মার্টফোন কেনার আগে এই বিষয় গুলো মাথায় রাখা দরকার ।